Banglarnetro
Dr. Neem Hakim

নেত্রকোণায় মটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সাইফুল নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার


বাংলার নেত্র প্রকাশের সময় : জুন ১৪, ২০২৫, ৪:২৭ অপরাহ্ণ / ১৪০
নেত্রকোণায় মটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সাইফুল নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার

বিশেষ প্রতিনিধি. দুই বছর আগে সংঘটিত হওয়া ঘটনার অভিযোগ এনে নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুর রহমানকে প্রধান করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আরও একটি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এরপর রাত পৌনে তিনটার দিকে মামলার ২ নম্বর আসামি জেলা মটরযান কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে নাশকতা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে নতুন মামলাটি করেন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ১ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পশ্চিম চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. কামরুল ইসলাম (৪৩)। এতে আসামি হিসেবে ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর অজ্ঞাত আসামি করা হয় ১২০ জনকে। মামলায় ৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহমেদ খানকে। ৬ নম্বর আসামি করা হয় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান রনি এবং ৭ নম্বর আসন করা হয় জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুল গফুরকে।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ৩০ মে বেলা ১১টায় শহরের ছোট বাজার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনকালে উল্লেখিত আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। এ সময় দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরসহ দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ইজিবাইকে অগ্নিসংযোগ করা হয়। সেই সঙ্গে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘটনার দুই বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৩৩ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলাটি করা হয়েছে। এতে ১২০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। পরে পুলিশ ওই দিন দুই নম্বর আসামি জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

জেলা মোট মটরযান কর্মচারী ইউনিয়নের কয়েকজন পদবিধারী নেতার ভাষ্য, এই সংগঠনটি অরাজনৈতিক। এখানে সব মতাদর্শের লোকজন রয়েছেন। সাইফুল ইসলাম কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন। তার কোন রাজনৈতিক পদ নেই। আগামী ২০ জুন সংগঠনের ত্রিবার্ষিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে সাইফুল ইসলামসহ অন্য একজন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। মূলত সাইফুল ইসলামের জনমতে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে আওয়ামী লীগ বানিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সাইফুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

লিড নিউজ বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর